সাধারণ আইনজীবিদের স্বার্থ সুরক্ষায় অবকাশে ৩৮ বেঞ্চ চালু রাখতে প্রধান বিচারপতিকে সুপ্রিম কোর্ট বারের সেক্রেটারির বিশেষ অনুরোধ

১৮ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত অবকাশে যাচ্ছে হাইকোর্ট। এসময়ে হাইকোর্টের ৩৮টি বেঞ্চ চালু রাখতে প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। উল্লেখ্য যে ইতিপূর্বেও সাধারণ আইনজীবিদের স্বার্থ রক্ষার জন্য তিনি বেশ কিছু কার্যকরী ভূমিকা নিয়ে ভুয়সী প্রশংসিত হয়েছেন।

বুধবার বিকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে ফোন করে তিনি এ অনুরোধ জানান।করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় গত ১ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সীমিত পরিসরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ১টি ও হাইকোর্ট বিভাগে ৩ টি বেঞ্চ খোলা ছিল। তবে, জনগণের চলাচলে জারি করা কঠোর বিধিনিষেধ শিথিলের দিন ১৫ জুলাই এক দিনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে ৩৮টি বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে এসব বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। ভার্চুয়ালি এসব বেঞ্চে বিচারকাজ চলবে।

এদিকে, আগামী ১৮ জুলাই থেকে সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি। অবকাশকালীন সময়ে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য আগেই ৪টি বেঞ্চ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। তবে অবকাশে চারটি নয়, ৩৮টি কোর্টই চালু রাখতে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ জানিয়েছেন বারের সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল। পরে প্রধান বিচারপতি ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের জবাবে বলেছেন, ‘অন্য বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা করে কোর্ট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যারিস্টার কাজল কোর্ট নিউজ 24 কে বলেন, ‘আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের দুর্দশার কথা জানিয়ে অবকাশের মধ্যেও হাইকোর্ট বিভাগের ৩৮টি বেঞ্চ খোলা রাখতে অনুরোধ করেছি প্রধান বিচারপতির কাছে। করোনায় কোর্ট বন্ধ থাকায় আইনজীবীরা যে চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন সে কথাও বলেছি প্রধান বিচারপতির কাছে।’এর আগে শুধু আগামীকাল ১৫ জুলাইয়ের জন্য হাইকোর্টের ৩৮টি বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। ভার্চুয়ালি এসব বেঞ্চে বিচারকাজ চলবে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ৩৮টি বেঞ্চ গঠন করে সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

এদিকে আগামী ১৮ জুলাই থেকে সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি। অবকাশকালীন সময়ে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য আগেই ৪টি বেঞ্চ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

এই চার বেঞ্চের দায়িত্বও ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমকে অতীব জরুরি সকল প্রকার রিট মোশন ও দেওয়ানি মোশন বেঞ্চের দায়িত্ব, বিচারপতি জে বি এম হাসানকে অতীব জরুরি সকল প্রকার ফৌজদারি মোশনের দায়িত্ব, বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালকেও ফৌজদারি মোশনের দায়িত্ব ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরকে কোম্পানি বেঞ্চের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

scroll to top