লকডাউনে অধস্তন আদালতের বিচার চলবে যেভাবে

করোনাভাইরাসের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালসমূহের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে পরিচালিত হবে মর্মে জানিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। শনিবার (২৪ জুলাই) সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উপযুক্ত বিষয়ে নির্দেশিত হয়ে জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ফুলকোর্ট সভায় করোনা ভাইরাসজনিত (কোভিড-১৯) উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করায় আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত অধস্তন আদালত/ ট্রাইব্যুনালসমূহের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে পরিচালনা করার সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রত্যেক জেলার জেলা ও দায়রা জজ দেওয়ানী ও ফৌজদারি এবং মহানগর দায়রা জজ ফৌজদারি জরুরি দরখাস্তসমূহ প্রয়োজন অনুযায়ী তারিখ ও সময় নির্ধারণপূর্বক ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন।সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় প্রত্যেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একজন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী জেলা/মহানগরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন।’

‘আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে উক্ত সময়ে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট উপস্থাপন করা যাবে।’

‘দ্য নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১ সহ যে সকল আইনে মামলা/আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত আছে, সে সকল আইনের অধীনে মামলা/আপিল শারীরিক উপস্থিতিতে আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে তামাদির মেয়াদ অক্ষুণ্ণ গণ্যে দায়ের করা যাবে।’একইসঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে অধস্তন আদালতে কর্মরত সকল বিচারক এবং আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কর্মস্থল ত্যাগ না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। উক্ত সময়ে জরুরি প্রয়োজন ব্যতিরেকে আইনজীবী এবং বিচারপ্রার্থীদের আদালত প্রাঙ্গণে না আসার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

scroll to top