পরিবেশের ডিজি, ৫ জেলার ডিসির উপস্থিতিতে হাইকোর্টে শুনানি আজ!

নঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলোতে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে একাধিকবার নির্দেশনা দেওয়ার পরও সেগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এবং ঢাকাসহ পাঁচ জেলার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) তলব করেছিলেন হাইকোর্ট।

উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় আজ বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।আজ পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি এবং পাঁচ জেলার ডিসি ভার্চুয়াল শুনানিতে অংশগ্রহণ করবেন বলে জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

যে জেলার ডিসিদের তলব করা হয় সেগুলো হলো- ঢাকা, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ। ওই জেলাগুলোতে থাকা অবৈধ ইটভাটার তালিকাও দাখিল করতে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ শুনানির দিন নির্ধারিত রয়েছে।

ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বায়ুদূষণ বন্ধে এইচআরপিবির করা জনস্বার্থের মামলার ধারাবাহিকতায় চার নির্দেশনা চেয়ে গত ৩০ জানুয়ারি এ সম্পূরক আবেদনটি করা হয়।ওই দিন আবেদনের পক্ষে ভার্চুয়ালি শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আমাতুল করিম। ঢাকা উত্তর সিটির (ডিএনসিসি) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. শাহজাহান আর দক্ষিণ সিটির (ডিএসসিসি) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাইদ আহমেদ রাজা।

অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, বায়ুদূষণ বন্ধ করতে ঢাকা মহানগরে নির্মাণাধীন এলাকায় মাটি, বালি, বর্জ্য ঢেকে রাখা, সিটি করপোরেশন কর্তৃক রাস্তায় পানি ছিটানো, রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজে টেন্ডারের শর্ত পালন নিশ্চিত করা, কালো ধোঁয়া নিঃসরণকৃত গাড়ি জব্দ করা, অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করাসহ আদালত ৯ দফা নির্দেশনা দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে ঢাকায় দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। তাই আমরা সম্পূরক আবেদন করেছিলাম। ওই আবেদন শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন হাইকোর্ট।

মনজিল মোরসেদ জানান, অবৈধ ইটভাটা প্রশাসনের সামনে পরিচালিত হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এই রিট মামলায় আটবার আদালত বিভিন্নভাবে নির্দেশনা দেওয়ার পরও বিবাদীরা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।

scroll to top